মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইউনিয়নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

হাওড়কন্যা সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলাধীন ০২ নং বংশীকুন্ডা (দঃ) ইউনিয়ন অবস্থিত। এর পূর্বে তাহিরপুর উপজেলাধীন শ্রীপুর (দঃ) ইউনিয়ন, পশ্চিমে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলাধীন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন, উত্তরে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বংশীকুন্ডা (উঃ) ইউনিয়ন ও দক্ষিণে চামরদানী ইউনিয়ন অবস্থিত। ইউনিয়নটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে রামসার সাইট ঘোষিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ও সম্পদে ভরপুর সম্ভবনাময় হাওড় পর্যটন কেন্দ্র “টাংগুয়ার হাওড়” এর দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত। জমিদারী শাসন আমলে এটি একটি পরগনা ছিল এবং আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে এর কার্যক্রম চলত।

ইউনিয়নের নামকরণ: বংশীকুন্ডা নামটি এসেছে অত্র অঞ্চলের একসময়ের জমিদার বংশী বদন চৌধুরীর নামানুসারে। পূর্বে বংশীকুন্ডা উত্তর ও বংশীকুন্ডা দক্ষিণ এই দুটি ইউনিয়ন একত্রে বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন ছিল। পরবর্তীতে ইউনিয়নটির সীমানা বড় বিধায় একস্থানে বসে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভবনা বিধায় এটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। একটি হলো ০১ নং বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন আর অপরটি ০২ নং বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই ০২ নং বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন ৪৬ টি গ্রাম নিয়ে অবস্থিত। এছাড়াও এই ইউনিয়নের মধ্যেদিয়ে বয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী “মনাই নদী”। যে নদীতে একসময় বর্ষাকালে নৌকা বাইচ হতো, নদীরপাড়ে জমতো গ্রাম্য মেলা। এছাড়াও ছোটবড় ৮ টি বিল, ৪টি খাল, ১টি হাওড় ও ০২টি নদী রয়েছে এই ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নে যুগে যুগে অনেক গুনীব্যক্তিজন জন্মগ্রহন করেছেন যার মধ্যে প্রথমদিকে বংশী বদন চৌধুরী, পরবর্তীতে মরহুম আরমুজ আলী তালুকদার, মরহুম আইয়ুব আলী তালুকদার, মরহুম আক্কেল আলী তালুকদার, মরহুম আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, মোঃ আবুল হোসেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন সময়ে সচিব মরহুম আঃ গণি সাহেব প্রমূখ। বর্তমান প্রজন্মে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে তথ্য সচিব জনাব মুরতুজা আহম্মেদ, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব আশিক নূর প্রমূখ ব্যক্তিবর্গ এই ইউনিয়নে জন্মগ্রহন করেছেন। এছাড়াও এই ইউনিয়নে রয়েছে অসংখ্য কবি, লেখক, গুনি শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, দাতা, বাউল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। ইউনিয়নটি হাওড় অঞ্চলে অবস্থিত বিধায় তাদের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি যথা: ধামাইল, জারী, সারি  ও বাউলগান। এই ইউনিয়নে রয়েছে বিভিন্ন অলি আউলিয়ার মাজার শরীফ। রয়েছে ১টি কলেজ, ০২টি হাইস্কুল, ১টি দাখিল মাদ্রাসা, ৩১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুল ও বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র। শিক্ষা, সংস্কৃতি  ও ঐতিহ্যে বংশীকুন্ডা (দঃ) ইউনিয়ন আজও সমুজ্জল।    

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter